For English Version
শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
হোম জাতীয়

সম্রাট রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, দাবি মায়ের

Published : Sunday, 13 October, 2019 at 1:53 PM Count : 166

ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের মা সায়েদা চৌধুরী বলেছেন, 'শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এবং ব্যক্তিগত আক্রোশে সম্রাটকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে জড়ানো হচ্ছে।'

রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সম্রাটের মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এ সময় সম্রাটের ছোট ভাই রাশেদ চৌধুরী সাংবাকিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। 

সায়েরা খাতুন বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি মানবতার মা। সম্রাট যেমন আমার সন্তান তেমনি আপনারও সন্তানতুল্য। সম্রাট ওপেন হার্ট সার্জারির রোগী। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। মা হিসেবে আপনার কাছে আমার আকুল আবেদন সম্রাটকে মুক্তি দিন। উন্নত চিকিৎসা দিয়ে তার জীবন ভিক্ষা দিন।'

সম্রাটের মা অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোন ফারহানা চৌধুরী শিরিন।

ফারহানা চৌধুরী শিরিন বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুতি জানাতে চাই আপনি মমতাময়ী জননী, মানবতার মা, সম্রাট আপনার কর্মী, আপনার সন্তানতুল্য, সম্রাট আপনার সংগঠনে অনুপ্রবেশকারী নয়। আমি একজন মা হিসেবে আপনার কাছে আকুতি করছি সম্রাটের ভুল ত্রুুটি ক্ষমা করে ওকে মুক্ত করে দিন। তাকে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়ে আমার সন্তানের জীবন রক্ষা করুন। পরিশেষে বলতে চাই সম্রাট জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তৃনমূলের পরীক্ষিত কর্মী। সম্রাটকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন।'

সম্রাটের অফিসে ইয়াবা ও অস্ত্র পাওয়ার ঘটনা পরিকল্পিত ও সাজানো বলে দাবি বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সম্রাটের বাইপাস সার্জারী করে ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক মদ্যপান তার জন্য মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই সে যেনে শুনে কখনো মদ পান করবে না। সম্রাটকে গ্রেফতারের ১০ দিন আগে সে থেকে অফিসেই ছিলনা, অফিস ছিল অরক্ষিত। শরীর খারাপ থাকায় অন্যত্র অবস্থান করছিল। তার অফিসে মদ, ইয়াবা, পিস্তল কিছুই ছিল না। আমাদের আশংকা এটি পরিকল্পিত সাজানো নাটক ছাড়া কিছুই না।





লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ঢাকা শহরে প্রতিটি ক্লাব পরিচালনা করার জন্য কমিটি রয়েছে। খেলাধুলা পরিচালনা করার জন্য এই সকল ক্লাব থেকে নিপূণ খেলা পরিচালনা জন্য ক্লাব কর্তৃক প্রকাশ্যে ডাক দেয়া হয়। আমার সন্তান সম্রাট কোন ক্লাবের পরিচালনা কমিটির সদস্য নয় এবং ডাক গ্রহণকারীও নয়। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এবং ব্যক্তিগত আক্রোশে তাকে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে জড়ানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে যে মামলায় তাকে ৬ মাসের সাজা দেয়া হয়েছে সে মামলার আদেশ আমরা এখনো হাতে পাইনি। ক্যাঙ্গারু বাংলাদেশি বন্য প্রাণী নয়। বাংলাদেশে এই প্রাণীটির বিচরণ দেখা যায় না। যেহেতু ক্যাঙ্গারুটি বাংলাদেশে শিকার করা হয়নি এটি বাংলাদেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের মধ্যে পড়েনা। উক্ত ক্যাঙ্গারুর চামড়াটি এক প্রবাসী বাংলাদেশি তাকে উপহার হিসেবে প্রদান করে বিধায় এটি আইন বিরোধী কাজ নয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত ৬ অক্টোবর (রোববার) আমার সন্তানকে গ্রেফতার করা হয়। যে স্থান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় সে স্থান থেকে কোন প্রকার অস্ত্র কিংবা মাদক পাওয়া যায় নি। কিন্তু আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে দেখতে পেলাম তাকে কাকরাইল অফিসে নিয়ে আসা হয় এবং প্রায় ৪ ঘন্টা ১৭ মিনিট তার অফিস তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি চলাকালীন সময়ে কোন গণমাধ্যম কর্মীকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। সম্রাটকে নিয়ে অফিসের ভেতরে প্রবেশের সময় বিভিন্ন মিডিয়ায় লাইভ সম্প্রচারে দেখা গেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু লোক কাঁধে ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করে এবং অফিস থেকে বের হওয়ার সময় ওই সকল ব্যাগ লক্ষ্য করা যায়নি।

-এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft