1){for(var t=document.createDocumentFragment();e.childNodes.length>0;)t.appendChild(e.childNodes[0]);e.parentNode.replaceChild(t,e)}else e.firstChild?e.parentNode.replaceChild(e.firstChild,e):e.parentNode.removeChild(e)}function r(e){if(e)try{for(var t=e.querySelectorAll(".gr_"),r=t.length,o=0;o" />
For English Version
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২০
হোম সারাদেশ

ভোমরা স্থলবন্দরে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

Published : Monday, 9 September, 2019 at 10:45 PM Count : 147

সাতক্ষীরার ভোমরাস্থল বন্দরে শ্রমিক সরবরাহে অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে শহীদ স. ম আলাউদ্দীন মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি এইচ এম আরাফাত হোসেন বলেন, অন্যান্য স্থল বন্দরের ন্যায় ভোমরা স্থলবন্দরেও সরকার পণ্য খালাসের জন্য একজন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে শ্রমিক সরবরাহ করার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করে থাকেন। এ বন্দরে উক্ত নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিক সরবরাহের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ পার মেট্টিক টনে ৫৪ টাকা ৬৫ পয়সা হারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিল নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি কোন শ্রমিক সরবরাহ না করে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বাহিরের থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে প্রতি ট্রাকে ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকা দিয়ে পণ্য খালাস করতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে আমদানি কারকদের দুইবার শ্রমিকদের বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। যা বাংলাদেশের অন্য কোন বন্দরে পরিলক্ষিত হয় না। যার কারণে খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

তারা বলেন, এ বন্দরে সম্পূর্ণ আলাদা আদেশ জারি করে নাইট চার্জ আদায় করা হচ্ছে যা বিধি সম্মত নয়। ট্যারিফ সিডিউলে নাইট চার্জ দেয়ার বিধান না থাকলেও নাইট চার্জের নামে টাকা আদায় করে তা ৫০/৫৫ ভাগে ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছে কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা। এছাড়া এ বন্দরে আইন করে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সকল চার্জের উপর প্রতি বছর ৫% হারে ট্যারিফ বৃদ্ধি করা হয়। যা একই দেশে দ্বৈত আইন।

তারা এ সময় ভোমরা স্থলবন্দরের উপ-পরিচালকের প্রত্যাহার ও বিচার দাবি করে শ্রমিক ঠিকাদার ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সুকৌশল দুর্নীতি সম্পর্কে উক্ত দপ্তরের মন্ত্রী, সচিবসহ সকলের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এসব দুর্নীতি দীর্ঘদিন হলেও কেন এতদিন প্রতিবাদ করা হয়নি জানতে চাইলে জবাবে নেতৃবৃন্দ বলেন, এতদিন চিঠি চালাচালি অব্যাহত ছিল। এখন সেটি পর্যায়ক্রমে আন্দোলনের রুপ নিয়েছে।

রোববারের মানববন্ধন করার কথা উল্লেখ করে বলেন, সোমবার প্রেস ব্রিফিং করার পর অচিরেই প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমরা স্মারক লিপি প্রদান করব। সংবাদ সম্মেলনে সিএন্ডএফ এর সাবেক সভাপতি শেখ আশরাফুজ্জামান আশু জানান, ৯৬ সালে শহীদ সম আলাউদ্দীনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই বন্দরের রুপ নেয়। এরপর থেকে নানা বন্দরে উন্নয়ন হয়েছে তা ধীর গতিতে।

এসব বিষয় নিয়ে কথা হয় ভোমরা হ্যা-লিং শ্রমিক ইউনিয়ন ১১৫৫ এর সেক্রেটারি মাসুদ আলমের সঙ্গে। তিনি জানান, ১৩ সালে যখন নাশকতায় দেশ যখন অচল হয়ে পড়ে তখন এই ভোমরা বন্দরকে আমরা শ্রমিকরা আগলে রেখেছিলাম বলে একদিনও বন্ধ হয়নি।

তিনি আরো বলেন, কিছু সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী যাদেরকে হরিলুট কমিটি বলা যায় তারা এই বন্দরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়তারা করছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বন্দরের মাদার সংগঠন সিএন্ডএফ এজেন্টদের কতিপয় নেতারা ঠিকাদারের নিকট থেকে ট্রাক প্রতি ৬৫ টাকা করে ২০ মাস টাকা নিয়ে আসছে। এখন আমরা জানতে পেরে টাকা দেয়া বন্ধ করে দেওয়ায় কতিপয় সিএন্ডএফ নেতাদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি সরকারের কাছে দাবী করে বলেন, অন্যান্য বন্দরে যেভাবে শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় আমরাও যেন তেমন সুযোগ সুবিধা পাই।

এদিকে ভোমরার অপর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ১১৫৯ এর সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম জানান, ভোমরা বন্দরে নাকি সিএন্ডএফ নেতারা আন্দোলন করছে কিন্তু এই বন্দরে ৪ থেকে ৫টি হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন থাকলেও তাদেরকে ডাকা হয়নি। আমরা বিষয়টি জানিইনা এমনটি দাবী করে তরিকুল ইসলাম আরো বলেন, হরিলুটের টাকা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তাদের টনক নড়েছে।

আন্দোলনের নামে বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এনে আন্দোলন করলেও আমরা জানিনা। ভোমরা বন্দরে ১২/১২ হাজার শ্রমিক থাকলেও তাদেরকে পাশ কাটিয়ে একটি চক্রান্ত চলছে বলেও দাবী করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের শ্রমিকদের পয়সা সিএন্ডএফ নেতাদের পকেটে যাবে আমরা জানবো না, তা তো হয় না। ভিডিও বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, আমরা দেখছি কি হচ্ছে, এরপর আমরাও এখানে কর্মসূচি ঘোষণা করবো।

ভোমরা বন্দরের সহকারি পরিচালক ট্রাফিক মাহামুদুল হাসান জানান, সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তিন দফা দাবী সম্বলিত একটি পত্র আমাদেরকে দিয়েছেন। আমরা সেটির ফরোয়াডিং দিয়ে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্চ পর্যায়ে প্রেরণ করেছি। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত আমাদেরকে জানানো হবে আমরা তা বাস্তবায়ন করব।





জনাকীর্ণ এই সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু, নাসিম ফারুক খান মিঠু, সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সাবেক সাধারন সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এমজেডআর/এইচএস




Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft