For English Version
শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
আ’লীগ সভাপতি ছাড়া সব পদেই পরিবর্তন আসতে পারে : ওবায়দুল কাদের       রাবিপ্রবি'র ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত       এসএ গেমস : ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশাল জয়       মেহেরপুর মুক্ত দিবস আজ       ভারতে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা, পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তরা নিহত      
হোম সারাদেশ

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বেকারী পণ্য

Published : Friday, 6 September, 2019 at 8:45 PM Count :
নিজস্ব সংবাদদাতা

বিস্কুট, কেক, বনরুটিসহ নানা ধরনের বেকারী পণ্য পরিবারের প্রায় সকলেই খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে বাসা বাড়িতে হঠাৎ করে অত্মীয়-স্বজনরা এলে এসব খাবার পরিবেশন করা হয়। শিশুদের পছন্দের খাবার হিসেবেও বেকারীর খাবার প্রিয়। শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিদিন পৌঁছে যায় এসব খাবার। ফলে মানুষ স্বাস্থ্যকর মনে করে এসব বেকারী খাবার খেয়ে থাকেন। কেউ কি কখনও ভেবে দেখেছেন এসব খাবারগুলো কোথায় এবং কিভাবে তৈরি হচ্ছে? 

ভোলার দৌলতখানের বেকারীগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরিকৃত খাবার বাইরে বিক্রি হচ্ছে। 

সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, উপজেলার নুরমিয়ারহাট বাজারে মো. ফারুকের শাকিল বেকারী, পৌর শহরের সুইচগেইট সংলগ্ন জাকিরের নিউ বেকারী, ৪ নং ওয়ার্ডের মাহাবুবের হাজী বেকারী ও ৭ নং ওয়ার্ডের ভূমি অফিস সংলগ্ন মাকসুদের বেকারীতে নিয়ম না মেনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি করছে এসব পণ্য। খাদ্য তৈরী করার পাত্রগুলো অপরিষ্কার। যার মধ্যে মাছিসহ বিভিন্ন পোকামাকড় লক্ষ্য করা গেছে। বেকারীর মালিকরা তাদের নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্যের পেকেট ব্যবহার না করে বাইরে থেকে ক্রয়কৃত পেকেট ব্যবহার করছেন। এসব খাবারের পেকেটে নেই কোন উৎপাদন, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ও মূল্য তালিকা। বিস্কুট কেজি হিসেবে এবং কেক ও বনরুটি বিক্রি হয় পিস হিসেবে। ফজরের নামাজের পর পরই ভ্যানযোগে বিভিন্ন এলাকার পাড়া মহল্লায়, অলিগলির জেনারেল স্টোর ও চায়ের দোকানে এসব পণ্য পৌঁছে দেন ডেলিভারিম্যানরা। 





তবে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) কর্তৃক শুধুমাত্র বিস্কুট তৈরির অনুমোদন থাকলেও তারা কেক, বনরুটিসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরী করে থাকেন। এছাড়াও, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ব্যাপারে জানা নেই তাদের। অনুমোদনহীন খাবারের সঙ্গে বেকিং পাউডার, ইষ্ট ও অ্যামোনিয়াসহ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়।

বেকারী মালিকরা জানান, এসব দ্রব্য ছাড়া বেকারী পণ্য তৈরী করা যায়না। 

ভোলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহামুদুল হাসান জানান, বেকারী কারখানায় মেয়াদোত্তীর্ণ, লেবেল বিহীন পেকেট, অনুমোদন বিহীন ক্ষতিকারক কোন দ্রব্য ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডা. মো. আনিছুর রহমান বলেন, ফুড বেকিং, ইষ্ট খাবারের সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করা যাবে। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হবে। অ্যামোনিয়া খাবারের সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না। খাদ্য উৎপাদনে সময় মাথায় ক্যাপ ও হাতে গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় শরীর থেকে খাবারের মধ্যে রোগজীবাণু ছড়াবে। 
-এমএম/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft