For English Version
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
হোম শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ভুয়া স্বাক্ষরে বিদ্যালয়ের টাকা লোপাট

Published : Wednesday, 11 September, 2019 at 2:52 PM Count : 118
নিজস্ব সংবাদদাতা

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম।

ভোলার লালমোহনে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও অন্য সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া রেজুলেশন ও বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এক প্রধান শিক্ষক। এই জালিয়াতির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পিইডিপি-৪ এর আওতায় আনুসাঙ্গিক ব্যয়ের জন্য লালমোহন উপজেলার পশ্চিম রায়চাঁদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে রুটিন মেইন্টেন্যান্স বাবদ ৪০ হাজার টাকা, স্লিপের ৫০ হাজার , প্রাক প্রাথমিকের ১০ হাজার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ৫ হাজারসহ মোট ১ লাখ ৫ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এসব টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম।

বরাদ্দ পাওয়া এই টাকা উত্তোলন করে কেবল মাত্র ৫০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে মর্মে উল্লেখ করে গত ১৩ জুন একটি ভুয়া রেজুলেশন তৈরী করেন ওই প্রধান শিক্ষক। যে রেজুলেশনে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি ও স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কাজল মালের সাক্ষরসহ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের আরও ৭ সদস্যের সাক্ষর নিজেই দেন তাজল ইসলাম।

দেখা গেছে, ওই ভুয়া ভাউচারে বিদ্যুৎ খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকা দেখানো হলেও ওই বিদ্যালয়ে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগই নেই। বিদ্যালয়ে রঙয়ের কাজ বাবদ ২ হাজার ১শ’ টাকা দেখানো হলেও, বিদ্যালয়ে কোনো প্রকার রঙয়ের কাজ করা হয়নি। এছাড়া ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি ষ্টীলের শোকেস কেনা হয়েছে মর্মে ভাউচার দেখানো হলেও কার্যত বিদ্যালয়ে নেয়া হয়েছে একটি পার্টেক্সের ছোট্ট শোকেস। 

ভুয়া ভাউচার তৈরী করতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম লালমোহন পৌর শহরের রিয়াজ ষ্টোর নামের যে দোকানের বিদ্যুৎ ও রঙয়ের ভাউচার দেখিয়েছেন, সে দোকানে কোনো বিদ্যুৎ সামগ্রী ও রঙ বিক্রি হয় না বলে জানান ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম বলেন, ম্যানেজিং কমিটির কিছু সদস্যের স্বাক্ষর তাদের সম্মতিতে আমি নিজে দিয়েছি। এছাড়া টাকা উত্তোলন করতে শিক্ষা অফিসে কিছু অংশ দিতে হয়। বরাদ্দের টুকিটাকি কিছু কিনে বাকি টাকা রেখে দিয়েছি বিদ্যালয়ের অন্য কাজের জন্য।

ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজল মাল বলেন, গত এক বছরে ওই বিদ্যালয়ের কোনো রেজুলেশনে আমি স্বাক্ষর করিনি। আর বিদ্যালয়ের কোনো বিষয়ে আমাকে কিছু জানানোই হয় না।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আইয়ুব আলী বলেন, এই প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও জালিয়াতির বিষয়ে আমাদের হাতে ডকুমেন্টস চলে এসেছে। আমরা খুব শিগগিরই তদন্ত পূর্বক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

-এইচপি/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft