For English Version
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
হোম অনলাইন স্পেশাল

কোরবানির প্রস্তুতি

আখাউড়ায় কাঠের গুড়ি ও কামারের কদর বেড়েছে

Published : Friday, 9 August, 2019 at 12:46 PM Count : 124
মহিউদ্দিন মিশু, আখাউড়া

দু’দির বাদেই কোরবানির ঈদ বা পবিত্র ঈদুল আজহা।  ইতিমধ্যে অনেকেই কোরবানির পশু কিনে ফেলেছেন। এখন প্রয়োজন গোস্ত বা মাংস কাটার জন্য কাঠের গুড়ি, ছুরি-চাকু, দা, চাটাইসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এখন এসব পণ্যের কেনাবেচা জমজমাট।  সীমান্তবর্তী আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে এসব পণ্যের অস্থায়ী দোকান। কেউ কেউ অন্যান্য ব্যবসার পাশাপাশি এসব পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। মৌসুমি এ ব্যবসায় আয়-রোজগারও বেশ।

একাধিক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, গাছের গুড়িঁ বানাতে তেতুঁল গাছের প্রয়োজন। তবে তা আগের মতো আর নেই। কোন বাড়িতে তেতুঁল গাছ পাওয়া গেলেও দুই থেকে তিনগুন বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।  মাংস বানাতে শক্ত গাছের গুড়ির দরকার। তাই তেতুঁল গাছের চাহিদাও এখন বেড়ে গেছে।

অন্যদিকে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস টুকরো করতে ধারালো অস্ত্রই একমাত্র ভরসা। এজন্য এগুলো তৈরী এবং পুরানো দারালো অস্ত্রগুলোতে শান দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কামার শিল্পের কারিগররা। তাই কাজের ধুম পড়েছে আখাউড়া উপজেলার প্রতিটি কামারের দোকানে। দিন রাত পরিশ্রম করছেন কামার শিল্পের শ্রমিকরা। আথচ বছরের অধিকাংশ সময়ই এই শিল্পের লোকজন বলতে গেলে প্রায় বেকার সময় পার করেন।

উপজেলার কামার শিল্পিদের খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাপাতি, দা, বঁটি,চাকু তৈরী এবং পুরানো দেশীয় দারালো অস্ত্রে শান দিতে তারা এখন দারুন ব্যস্ত। প্রতি বছর কোরবানির ঈদের মৌসুমে তাদের ব্যবসা জমে উঠে।

আখাউড়া উপজেলার গাজীর বাজারের কামার শিল্পী সুখেন চন্দ্র কর্মকার জানান, আগের থেকে লোহার দাম এখন বেড়ে গেছে। শ্রমিকদের মজুরি কয়েকগুন বেড়েছে। বছর জুড়ে এ শিল্পে মন্দা ভাব থাকলেও প্রতি বছর কোরবানির ঈদের আগে এদের কদর বাড়ে অত্যাধিক।

এ ছাড়া ধান কাটার মৌসুমে কাঁচি তৈরিতে কিছুটা ব্যস্ততা বাড়ে জানিয়ে আব্দুল আলীম ও ইউনুছ নামে কামার শিল্পি জানান, দিন কী দিন সব কিছুর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সে হারে আমাদের শিল্পের মান কমছে। আগে ৪০-৫০ টাকায় এক বস্তা কাঠ কয়লা পাওয়া যেতো। এখন তা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৫০-৩০০ টাকায়। কামার শিল্পের কারিগর, পাইকার ও ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতি বছর এক ঈদ মৌসুমেই যতো কেনা বেচার ধুম আর এ থেকে অর্জিত টাকাই সারা বছরের খেরাক যোগায়। কাজের ব্যস্ততায় সময় কাটছে কামারদের।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে দেখাগেছে, গাছের গুড়ির ব্যাপক চাহিদায় উপজেলার স’মিল গুলাতেও গুড়ি কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। কেবল কাঠের গুড়ি-ই নয়, বিক্রি হচ্ছে খেজুর বা খোগলা পাতার পাটি, রামদা, বটি, ছুরি ও চাকুও। প্রতিটি খোগলা বা খেজুর পাতার পাটির দাম পড়ছে ১২০থেকে ১৫০ টাকা।

এছাড়া রামদা ও বড় ছুরি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, মাঝারি ছুরি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট ছুরি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ও পাতলা ছোট ছুরি প্রতি পিস ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় বেচাবিক্রিও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft