For English Version
সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
হোম

নুসরাত হত্যা

রিকুইজিশন লেটার মূলে ইফতেখার উদ্দিন রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়

Published : Wednesday, 7 August, 2019 at 10:47 PM Count : 47

সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার সন্ধিগ্ধ আসামি ইফতেখার উদ্দিন রানাকে ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার টিএন্ডটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করি। ২১ এপ্রিল ভোর ৬টা ০৫ মিনিটে ফেনী পৌঁছে তাঁকে তদন্ত কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করি। ফেনী পিবিআইয়ের রিকুইজিশন লেটার (অধিযাচনপত্র) মূলে ইফতেখার উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (৭ আগস্ট) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে আসামির আইনজীবীদের জেরার মুখে চট্টগ্রামের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা এ তথ্য দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীগণ জানতে চান চট্টগ্রাম পিবিআই কর্মকর্তা কিভাবে ইফতেখার উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে। এ পশ্নের উত্তরে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। আইনজীবীরা জানতে চান ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার জন্য রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রামে রানাকে নির্যাতন করা হয়েছে কি না। উত্তরে সন্তোষ কুমার বলেন- কোন ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতন করা হয়নি।

আইজীবীরা দাবি করেন- স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন্য ইফতেখার উদ্দিনকে ইলেকট্রিক শর্ট দেওয়া হয়েছিল। উত্তরে তিনি বলেন-এধরনের কোন ঘটনা করা হয়নি।

সন্তোষ কুমার বলেন, ১৪ এপ্রিল তাঁর কাছে অধিযাচনপত্র রিকুইজিশন লেটার (অধিযাচনপত্র) পাঠানো হয় । রিকুইজিশন লেটার পেয়ে তিনি ফেনী আসেন।

তিনি বলেন, আসামী রুহুল আমিনকে তিনি চিনতেন না। সোর্সসের ম্ধ্যামে ১৯ এপ্রিল বিকেল ৫টার সোনাগাজী পৌরসভা এলাকার তাঁর বাসভবন থেকে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেন এবং ৬টা ২০মিনিটে তদন্ত কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়। আসামী পক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন- ফেনী পিবিআই অফিসে রুহুল আমিনকে নির্যাতন করা হয়। সন্তোষ চাকমা বলেন- কোন ধরনের নির্যাতন করা হয়নি। এ নিয়ে নুসরাত হত্যা মামলায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে বুধবার পর্যন্ত ৮০ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের চিকিৎসক ও নুসরাতের মৃত্যুকালীন জবানবন্দি রেকর্ড গ্রহনকারীসহ মোট পাঁচজন চিকিৎসকের সাক্ষ্য ও জেরা করার দিন ধার্য আছে।

গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। এরপর দিয়াশলাই দিয়ে আগুন লাগিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। অগ্নিদগ্ধ নুসরাত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এমএটিভি/এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft