For English Version
সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯
হোম অর্থ ও বাণিজ্য

বগুড়ায় সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে

Published : Sunday, 21 July, 2019 at 5:01 PM Count : 79

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে ফসলী জমির ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠছে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্র জানায়, বন্যায় বগুড়ার যমুনা তীরবর্তী ৩টি উপজেলা সারিয়াকান্দি সোনাতলা ও ধুনটের মোট ৬৬ হাজার ৬৩৫টি কৃষি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তিন উপজেলার কৃষকরা জমির ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। যমুনার পানি হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৮৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি ৩৭ সেন্টিমিটার কমেছে।

পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, যমুনার পানি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিপদসীমার নিচে নেমে যাবে। সারিয়াকান্দিতে বাঙালী নদীর পানি  ৫০ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিখিল চন্দ্র জানান, বন্যায় জেলার তিন উপজেলায় ১৫ হাজার ৫৬৩ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আউস ও আমন বীজতলা। পাট উৎপাদন অঞ্চল তিন উপজেলায় পাট চাষ হয়েছিল ১০ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু বন্যায় ক্ষতি হয়েছে ৭ হাজার ৫০২ হেক্টর জমির পাট। সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয়ে থাকে সারিয়াকান্দি উপজেলায়। পাটের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা মুশরে পড়েছেন। 

তবে জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ জানান, বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার সব রকম সহযোগিতার ব্যবস্থা নেবে। তিন উপজেলায় আউস উৎপাদন হয়েছিল ৯ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু ৬ হাজার ৭৯৩ হেক্টর জমির আউস পানিতে তলিয়ে গেছে। ১৫৩ হেক্টর জমির শাক, সবজি একবারে বিনষ্ট হয়েছে। ১০ হেক্টর জমির কাঁচা মরিচ তলিয়ে যাওয়ায় জেলায় মরিচের দাম বেড়ে গেছে। গত দু'দিন আগে ২শ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হলেও রোববার থেকে  খুচরা বাজারে মরিচের কমতে শুরু করেছে। এখন মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজিতে। 

আমন রোপণ শুরু হবে ভাদ্র মাস থেকে। আমন চাষকে সামনে রেখে কৃষকরা যে আমন বীজ করেছিল তার অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। তিন উপজেলায় ২ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে আমন বীজতলা করেছিল কৃষক। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৬ হেক্টর বীজতলা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে আমন বীজের যে সংকট দেখা দেবে তার জন্য কৃষি বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। জেলার অন্য যে  টি উপজেলায় বন্যার আঁচ লাগেনি সেখান থেকে আমন বীজ এনে চাহিদা পূরণ করা হবে। 

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বন্যা কবলিত অঞ্চলে আমন বীজতলার ক্ষতি হলেও চারা সংকট হবে না। 

কৃষি ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বন্যা পরবর্তী সময়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এমটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

-এমএ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft