For English Version
সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
হোম আন্তর্জাতিক

শেষ মুহূর্তে ‘চন্দ্রযান ২’র অভিযান স্থগিত

Published : Monday, 15 July, 2019 at 10:14 AM Count : 74

শেষ মুহূর্তে কাউন্টডাউন স্থগিত। রোববার রাত ২টা ৫১ মিনিটে মাটি কাঁপিয়ে উড়ে যাওয়ার কথা ছিল বাহুবলীর। বাহুবলী একটি রকেট, জিয়োসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক থ্রি। ওড়ার নির্ধারিত সময়ের ৫৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে এটিতে ত্রুটি ধরা পড়ে। 

ইসরো'র বিজ্ঞানীরা জানালেন, রকেট থেকে জ্বালানি লিক করছে। কখন সেটি উড়তে পারবে, মাঝরাত পর্যন্ত জানাননি তাঁরা।

ভারী ওজনের মহাকাশযান নিতে সক্ষম বলে ভারতীয় এই রকেট তেলুগু সিনেমার জনপ্রিয় চরিত্রের নামেই পরিচিত। 

ইসরো জানায়, শুধু এই রকেটের নিজের ওজনই ৬৪০ টন। তার উপরে চন্দ্রযানের ওজন আরও ৩৮০০ কিলোগ্রাম! সেই ওজন নিয়েই তার মাটি থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার কথা চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেওয়া ভারতের দূতকে।

ইসরোর ভাষ্য, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মতো শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল রকেট ভারতের নেই। তাই পৃথিবীর চারপাশে পাক দিয়ে দিয়ে চন্দ্রযানকে একটু করে দূরে পাঠানো হবে। নির্দিষ্ট দূরত্বে পৌঁছে গেলে এক লাফে চাঁদের কক্ষপথে ঢুকবে সে। তারপর ধীরে ধীরে গতি কমিয়ে তাকে চাঁদের দিকে ক্রমশ ঠেলে দেওয়া হবে। পৃথিবীর চারপাশে পাক দিয়ে দূরে ছুড়ে দেওয়ার এই প্রযুক্তির প্রয়োগ মঙ্গল অভিযানেও করা হয়েছিল। এবং প্রথমবারেই তা সফল হয়।

কম খরচে মহাকাশ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরো অবশ্য আগে থেকেই প্রথম স্থানে। মঙ্গলযানের খরচ ছিল হলিউডি ছবি ‘গ্র্যাভিটি’র বাজেটের থেকেও কম। দ্বিতীয় চন্দ্রযানের জন্য খরচ হচ্ছে সাম্প্রতিক ‘অ্যাভেঞ্জার্স এন্ড গেম’-এর থেকে অনেক কম। হলিউডি ছবিটি তৈরি হয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারে। সেখানে দ্বিতীয় চন্দ্রযানের বাজেট মাত্র ১৪ কোটি ডলার! প্রায় ৯৬০ কোটি টাকার প্রকল্প।

ইসরোর কর্তারা বলছেন, উৎক্ষেপণ নিয়ে চিন্তা নেই। আবহাওয়াও অনুকূল। চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ নিয়েই চিন্তা বেশি। 

প্রাক্তন ইসরো প্রধান জি মাধবন নায়ারও বলেছেন, এই জটিল প্রযুক্তি ভারতীয় বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে চন্দ্রযান-২ নামবে চাঁদের এমন জায়গায় যেখানে আগে কোনও দেশের যান নামেনি বা মানুষের পা পড়েনি। ৬ বা ৭ সেপ্টেম্বরের কোনও এক সময় চন্দ্রযানের ‘ল্যান্ডার’ বিক্রম নামবে দক্ষিণ মেরুর কাছে। চাঁদের ৭০° অক্ষাংশে। ‘মানজিনাস সি’ এবং ‘সিমপেলিয়াস এন’ নামে দু’টি গহ্বরের মাঝে একটু উঁচু জমিতে। ৫০ বছর আগে নিল আর্মস্ট্রং এবং বাজ় অলড্রিন চাঁদের নিরক্ষরেখার কাছে নেমেছিলেন। তারপর রাশিয়া ও চিনের ল্যান্ডার নেমেছে উত্তর মেরুর কাছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কোনও দেশ পৌঁছয়নি। 

ইসরোর বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা, ওখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না বললেই চলে। ফলে চাঁদের বিবর্তনের ইতিহাসের সূত্র মিলতে পারে সেখানে। যে সূত্রই মিলুক, ভারতই প্রথম পাবে। সূত্র, আনন্দবাজার।

-এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft