For English Version
সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
হোম সারাদেশ

বঙ্গবন্ধুর স্মরণে পাটগাতি-বাঘিয়া নদীর পাড়ে ঘাট

Published : Saturday, 13 July, 2019 at 3:23 PM Count : 84

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মরণে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতি নদীর পাড়ে পাটগাতিতে ও বাঘিয়ার নদীর পাড়ে দুটি ঘাট নির্মাণ কাজ চলছে। ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার উদ্যোগে এই ঘাট দুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।

আগামী বছরের জুন নাগাদ এই ঘাট নির্মাণ কাজ শেষ হবার কথা রয়েছে। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবিত থাকাকালীন সময়ে ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে যখন স্টিমার বা বড় লঞ্চে করে আসতেন তখন হয়তো টুঙ্গিপাড়ার মধুমতি নদী পাড়ের পাটগাতি লঞ্চঘাট অথবা বাঘিয়ার নদীর পাড়ের লঞ্চঘাটে নামতেন। পরে পায়ে হেঁটে বাড়িতে যেতেন।আবার যখন ঢাকায় ফিরতেন তখন ওই ঘাট দু’টির যেকোনো একটি দিয়ে তিনি স্টিমার বা লঞ্চে উঠতেন। আর এই ঘাট দু’টিকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্যোগ নিয়েছে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা।

পাটগাতি ঘাটটি ৯ কোটি আর টুঙ্গিপাড়া ঘাটটি ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণ করা হচ্ছে।

এই ঘাট দুটি নির্মাণ করায় বেশ খুশি পুরাতন ও বর্তমান প্রজন্মের লোকজন। যারা জাতির পিতাকে এই ঘাটে নেমে বাড়িতে হেটে যেতে দেখেছেন তারা যেমন খুশি, তেমনি যারা বঙ্গবন্ধুকে দেখেননি তারাও নতুন ইতিহাস জানতে পেরে খুশি।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি গ্রামের হাবিবুর রহমান (৮৫), ঝর্ণা বিশ্বাস (৬০), টুঙ্গিপাড়া গ্রামের শেখ আব্দুস সামাদ ও শেখ আব্দুস সাত্তার (৫৪) জানান, দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুকে তারা এই ঘাটে নেমে বাড়ির রাস্তায় হেটে যেতে দেখেছেন। তখন অবশ্য তারা ছোট ছিলেন। 

তারা জানান, এখন যেমন এই রাস্তাটি প্রশস্ত, তেখন এমনটি ছিলনা ।তবে এই ঘাটগুলো সংরক্ষণ করায় তারা খুশি।  নতুন প্রজন্মের যারা রয়েছে তারা ইতিহাস জানতে পারবে। তাছাড়া জাতির পিতার সমাধিতে যারা শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন তারা এখানে এসে সময়ও কাটাতে পারবেন। জানতে পারবেন বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে নানা কথা।

টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা মেয়র শেখ আহম্মেদ হোসেন মীর্জা বলেন, এই ঘাটগুলো নির্মাণের ফলে জাতির পিতার পদচিহ্ন পড়া লঞ্চঘাটগুলো এ প্রজন্মের যারা রয়েছে তারা জানতে পারবে। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারবে অনেক কিছু।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান পৌর মেয়র।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান গোপালগঞ্জ এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে ফজলুল হক জানান, প্রকল্প দুটি আগামী ২০০০ সালের জুন নাগাদ শেষ হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে একদিকে যেমন দৃষ্টি নন্দন ঘাট নির্মাণ হবে তেমনি জাতির জনকের পদচিহ্ন পড়েছে সে ঘাটগুলোতে পর্যটকেরা এসে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারবেন। বিশ্রাম নেয়ার মতো ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সেখানে। তাই এই ঘাটে এসে মধুমতি নদীর মনোরম দৃশ্যও দেখতে পাবে। 

এছাড়া, ঐতিহ্যবাহী পাটগাতি বাজারের মালামাল ওঠানামাও করতে পারবেন এখানকার ব্যবসায়ীরা।

লঞ্চঘাট দুটি নির্মাণ হলে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে আসা লোকেরা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত এসব এলাকা দেখার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানতে পারবেন।

-এমএইচএম/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft